বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজকে টপকে রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো বর্ষসেরা প্লেমেকার অ্যাওয়ার্ড জিতলেন লিওনেল মেসি। এই অ্যাওয়ার্ড জিততে গিয়ে তিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৭০ পয়েন্ট। তার নিকটস্থ প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ১১৫ পয়েন্ট।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্টোরি অ্যান্ড স্টাটিসটিকস (আইএফএফএইচএস) এই ঘোষণা দেয়। এর আগের দুই বছর সেরা প্লেমেকারের শিরোপা জিতেছিলেন কেভিন ডি ব্রুইন। যিনি এবার তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।
এর আগে আইএফএফএইচএস’র ২০২২ সালের বর্ষসেরা খেলোয়াড় এবং ২০২২ সালের সেরা গোলস্কোরারের পুরস্কারও জেতেন মেসি। এবারে প্লেমেকার হিসেবেও রেকর্ড গড়লেন এলএমটেন। এই পুরস্কার জিততে গিয়ে তিনি রিয়ালের মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচকে পেছনে ফেলেন।
২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা ৪ বার আইএফএফএইচএস’র বর্ষসেরা প্লেমেকারের খেতাব জেতেন স্পেন ও বার্সেলোনার সাবেক মিডফিল্ডার জাভি। পক্ষান্তরে ২০১৫ থেকে ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে মোট চারটি আইএফএফএইচএস’র বর্ষসেরা প্লেমেকারের খেতাব জেতেন মেসি। এবারের ২০২২ সালের আইএফএফএইচএস’র বর্ষসেরা প্লেমেকারের খেতাব জিতে রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো এই ট্রফি এখন আর্জেন্টাইন জাদুকরের শোকেসে।
সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ীর শোকেসে অজস্র ক্লাব ফুটবলের স্বীকৃতিসহ কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমা জয়ের শিরোপা ছিল। কিন্তু এতসব অর্জনের পরও একটা শূন্যতা ছিল তার। অবশেষে ২০২২ সালে এসে সেই শূন্যতা পূর্ণতায় রূপ নিল। কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ শিরোপাও এখন শোভা পাচ্ছে পিএসজি তারকার শোকেসে। তাই তো ২০২২ কে কখনো ভুলবেন না ফুটবল জাদুকর।
আইএফএফএইচএস’র র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচ প্লেমেকার
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা ও প্যারিস সেন্ট জার্মেই) ১৭০ পয়েন্ট।
লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া ও রিয়াল মাদ্রিদ ) ১১৫ পয়েন্ট।
কেভিন ডি ব্রুইন (বেলজিয়াম ও ম্যানচেস্টার সিটি (ইংল্যান্ড) ৪০ পয়েন্ট ।
ব্রুনো ফার্নান্দেজ (পর্তুগাল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) ২৫ পয়েন্ট।
অঁতোয়ান গ্রিজমান (ফ্রান্স ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) ২০ পয়েন্ট।